The Romantic Period (1798-1832)
- এ যুগকে বলা হয় -The Golden Age of Lyric (গীতিকবিতা)/ Age of Revolution.
- ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগ শুরু হয় ১৭৯৮ সালে Lyrical Ballads প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে।
- Lyrical Ballads- এ রয়েছে Wordsworth- এর ১৯টি কবিতা এবং Coleridge-এর রয়েছে ৫টি কবিতা।
- Romantic যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- subjectivity.
- Romantic যুগটা হয় মূলত- The golden age of lyrics.
- Romantic যুগের বিখ্যাত লেখকরা হলেন- William Wordsworth, S.T Coleridge, Lord Byron, P.B. Shelley, John Keats, Jane Austen, Sir Walter Scott, Charles Lamb, William Hazlitt, Mrs. Shelley, Charles Robert Maturi
- Slogan: Art for Art's Sake (শিল্পের জন্য শিল্প)।
Romantic Age এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য :
a) Subjectivity (কবিতায় আমি এর ব্যবহার),
b) High Imagination,
c) Love for Nature, beauty, common people, common language and
d) Supernaturalism (অতি প্রকৃতিবাদ) etc.
এ যুগের সূচনা হওয়ার পরে তা নানাভাবে, নানা পরিবর্তনের মাধ্যমে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত টিকে থাকে। এ বছর আধুনিক যুগের পুরোধা টি.এস. ইলিয়টের (T.S.Eliot) বিখ্যাত কবিতা The Love Song of J. Alfred Prufrock প্রকাশিত হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, এ কবিতাটি প্রকাশের মধ্যে দিয়ে Romantic যুগের অবসান ঘটে। কারণ আধুনিক যুগের (Modern Age) কবিরা বাস্তব-ঘনিষ্ট এবং আধুনিক সমস্যা-সম্ভাবনার কথা কবিতায় বলতে থাকেন। ফলে এ সময়কার কবি-সাহিত্যিকরা কল্পনার সেই Nightingale বা Skylark-এর দেশে থেকে চলে আসেন বাস্তবতার Waste Land বা বিরানা জমিতে।
Lyric কে নিম্নলিখিতভাবে বিভাজন করা হয়:
| Elegy | Sonnet | Ode |
| Dramatic Monologue | Hymn | Epithalamion |
Romanticism [1798-1832]
রোমান্টিসিজম ইংরেজি সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন। ১৭৯৮ সালে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের যৌথ প্রযোজনায় "লিরিক্যাল ব্যালাডস" (Lyrical Ballads) প্রকাশের মাধ্যমে ইংরেজি সাহিত্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যধারার সূচনা হয়। পূর্বে সাহিত্যের ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ ছিল শুধু রাজা, রাজ দরবার, রাজকীয় পরিবেশ, উচ্চ শ্রেণির চরিত্রের মাঝে। কিন্তু ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং কোলরিজ দেখালেন ঐসব বিষয় ছাড়াও শুধু প্রকৃতি এবং তার সৌন্দর্য নিয়েও কবিতা লেখা যায়।
The Lake Poets :
Lake poets are William Wordsworth, Samuel Taylor Coleridge and Robert Southey (The Story of the Three Bears, the original Goldilocks story)

William Wordsworth | |
| জীবনকাল | Birth: 1770 Death: 1850 |
| পরিচিতি | William Wordsworth is a romantic poet. He was inspired by the French Revolution. |
| বিখ্যাত গ্রন্থ | Poems:
Verse: Prelude |
| Important Quotations |
|
১৭৭০ সালের ৭ এপ্রিল ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের নিচু হ্রদ এলাকার অদূরবর্তী শহর ককারমাউথে কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ জন্ম গ্রহণ করেন । ওয়ার্ডসওয়ার্থের পিতার নাম জন ওয়ার্ডসওয়ার্থ, পেশায় তিনি ছিলেন একজন আইন ব্যবসায়ী। ওয়ার্ডসওয়ার্থ খুব ছোটোবেলায়ই তার মা-বাবাকে হারান। এ কারণে লেখাপড়ার খরচ জোগানোর জন্য তাকে তার আত্মীয়স্বজনের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। ১৮৫০ সালে এই মহান কবি পরলোকগমন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i) William Wordsworth died in 1850.
ii) Title of Wordsworth is "Worshiper of Nature".
iii) Wordsworth is known as "High Priest of Nature".
iv) William Wordsworth হলেন Romantic যুগের সবচেয়ে উজ্জল নক্ষত্র।
v) তিনি The Poet of Nature (36th BCS), a Lake Poet এবং Poet of Childhood হিসেবে পরিচিত।
vi) William Wordsworth অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন- The French Revolution দ্বারা।
vii) ১৮৩৯ সালে Oxford বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি সি এল উপাধিতে ভূষিত করে।
viii) ১৮৪৩ সালে কবি সাদের মৃত্যুর পর তিনি Poet Laureate / ইংল্যান্ডের রাজ কবি নিযুক্ত হয়েছিলেন।
ix) ১৮৪৩ সালে সরকার তিন শত পাউন্ড অবসরকালীন ভাতা হিসেবে মঞ্জুর করেন।
x) "প্রকৃতির মাঝেই মহান সৃষ্টিকর্তা বিরাজমান" Wordsworth এর এই বিশ্বাস যা পরিচিত Pantheism হিসেবে।
His well-known works :
ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর অধিকাংশ কবিতা রচনা করেছেন ১৭৯৮ থেকে ১৮০৮ সালের মধ্যে। এটাই তাঁর রচনার স্বর্ণযুগ। ১৭৯৮ সালে কবি কোলরীজের সঙ্গে যুক্তভাবে "লিরিক্যাল ব্যালাড” রচনা করেছেন এবং রোমান্টিক তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই গ্রন্থে তাঁর রচিত কবিতাগুলি হলো Goody Blake, The Thorn, The Idiot boy, Tintern Abbey.
- I Wandered Lonely as a Cloud Also known as Daffodils. (Theme: A thing of beauty gives us double pleasure এই কবিতায় কবি Daffodil দ্বারা বুঝিয়েছেন- Nature has a healing power to sorrow stricken heart. (অর্থাৎ প্রকৃতির নিরাময় ক্ষমতা আছে।)
- The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী) (Solitary Reaper-এর soli-tary কথাটার মধ্যেই নির্জন মুহুর্তের মানবিকতার রূপটি যেন তাতে প্রকাশ পেয়েছে। শুধু মানবিকতা নয়, করুণাঘন মানবিকতা।) (36th BCS)
- Lines Written Above Tintern Abbey (1798) (A winning power, beyond all other Power. আর এই শক্তির সঙ্গে কবির পরিচয়ের বিবরণটি কবি লিপিবদ্ধ করেছেন The Prelude কবিতা বা Tintern Abbey কবিতাটির মধ্যে।)
- The Excursion (1814)( The Excursion (দি এক্সকারসন) কবিতাটি ১৭৯৭ সাল থেকে শুরু করে শেষ করেছেন ১৮১৪ সালে। প্রায় এক শতাব্দী ধরে ওয়ার্ডসওয়ার্থ জগত ও জীবনকে দেখেছেন। কিন্তু কাব্যের ফসল তুলছেন মাত্র দশ কি বার বছরের মধ্যে।)
- The Prelude Or Growth of a Poet's Mind (1850) {১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সালের মধ্যে রচনা করেছেন তাঁর আত্মজীবনীমূলক কাব্য The Prelude (দি প্রিলিউড)}
- The Recluse (1888) (১৭৯৮ সালে Recluse কবিতা রচনার পরিকল্পনাও করেছিলেন। অবশ্য কাব্যটির রচনা শুরু করেছিলেন ১৮০০ সালে। ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম দর্শনতত্ত্বের কাব্য। ১৭ বছর ধরে কাব্য রচনার চেষ্টা করেছেন তবুও এই কাব্যটি অসমাপ্ত থেকে গেছে।)
- Lucy (লুসি নামের একটি মেয়েকে নিয়ে) [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক-৯৮]
- Michael
- Written in March
- Ode to Duty
- To the Cuckoo
- Lyrical Ballads (1798)
William Wordsworth এর গুরুত্বপূর্ণ কবিতাগুলো মনে রাখার কৌশল:
- Excursion (ইকসকাশন)- সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ
- Recluse (রি'কুস)- একাকী
- Solitary (সলিটেরি)- একাকী
- Reaper- শস্যকর্তনকারী
- Cuckoo (কুকু)- কোকিল
Michacl তার প্রিয়তমা Lucy এর সাথে দেখা করার জন্য ভ্রমণ করে March মাসে Tintern- এ গেল। সেখানে Lucy একাকী শস্যকাটার Duty করে। যাওয়ার পথে Michael- Cuckoo ও Daffodil ফুল নিয়ে গেল।
- Michael = Michael
- প্রিয় = The Prelude
- Lucy Lucy
- ভ্রমণ=The Excursion
- March = Written in March
- Tintern = Tintern Abbey
- একাকী = The Recluse
- শস্যকাটা = The Solitary Reaper
- Duty = Ode to Duty
- Cuckoo = Cuckoo
- Daffodil = Daffodils
Wordsworth এর কিছু Quotations:
Wordsworth যেহেতু Poet of Nature ও Poet of Childhood তাই Nature ও Child নিয়ে নিচের দুটি Quotations – Wordsworth বলেছে।
- Nature never did betray the heart that loved her- ("প্রকৃতি কখনোই তাকে আঘাত করে না যে হৃদয় তাকে ভালবেসেছে” অর্থ্যাৎ প্রকৃতি কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না, তাদের সঙ্গে যারা তাকে মনে প্রাণে ভালবাসে। (Tintern Abbey কবিতায় কবি তার ভগিনী Dorothy কে এই কথাটি মনে রাখতে বলে।)
The child is father of the man. (ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে) (My Heart Leaps up when I Behold) - Wordsworth যেহেতু Daffodils নিয়ে কবিতা লিখেছেন তাই Daffodils নিয়ে নিচের Quotation টি তাঁর হওয়া স্বাভাবিক
- All at once I saw a crowd, a host of golden daffodils. (35th BCS) Ten thousands saw I at a glance tossing their heads In sprightly dance. - The daffodils কবিতা থেকে [আমি এক নজরে দশ হাজার ফুল দেখলাম]
- Our birth is but a sleep and a forgetting. (আমাদের জন্ম তো ঘুম আর ভুলে যাওয়া-এখানে কবি বলতে চেয়েছেন যে, জন্মের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে ঐশ্বরিক সচেতনতা জাগ্রত হয় না বরং স্বর্গীয় সচেতনতা আমরা হারিয়ে ফেলি- Intimations of Immortality (অমরত্বের ইঙ্গিত)।
- Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: it takes its origin from emotion recollected in tranquility." - কবিতার সংজ্ঞা Lyrical Ballads (গীতিধর্মী গাঁথা কবিতাগুচ্ছ) এ দিয়েছেন)
- The music in my heart I bore/Long after it was heard no more. (The Solitary Reaper এর শেষ দুটি লাইন)
বিখ্যাত গ্রন্থ Daffodils এর সারসংক্ষেপ :
কবি একদিন উদ্দেশ্যহীনভাবে উৎফুল্ল মনে একাকী Lake (হৃদ) এর পাশ দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত চমৎকার। পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের লুকোচুরি খেলা কবির মনে সাড়া জাগায়। হঠাৎ তিনি লেকের পাশে একটি গাছের নিচে অগণিত ড্যাফোডিল ফুলের উচ্ছলতা লক্ষ করেন। মৃদুমন্দ বাতাসে সোনালি রঙের ড্যাফোডিল আনন্দে নাচছিল দেখে কবির মনও ড্যাফোডিলের সৌন্দর্যে ও প্রাণ চঞ্চলতার আনন্দের নেচে ওঠে।
- Wordsworth-এর I Wandered Lonely as a Cloud কবিতাটি রোমান্টিক কবিতার অন্যতম নিদর্শন। এখানে একক বক্তা হিসেবে কবি ড্যাফোডিল ফুলের সৌন্দর্য অতিরঞ্জিত ভাষায় বর্ণনা করেছেন। কবি যখন উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তখন হ্রদের ধারে বৃক্ষের নীচে অগণিত সোনালি রঙের ড্যাফোডিল ফুলের সমারোহ দেখলেন। ফুলগুলোকে তাঁর কাছে জীবন্ত কোনো বস্তুর মতোই মনে হলো। কারণ ফুলগুলো মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে তাল মিলিয়ে শব্দ করে নাচছিল। ফুলগুলো কবির শূন্য উদাসীন মনে সুখের অনুভূতি সৃষ্টি করল।
তিনি ফুলগুলোকে তুলনা করলেন ছায়াপথে মিটমিট করে জ্বলা তারাদের সাথে। কবি দীর্ঘক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ড্যাফোডিলের সৌন্দর্য উপভোগ করলেন। ফুলের নাচন ও হ্রদের ঢেউয়ের ঝিলিককে কবি কল্পনা করলেন আনন্দের সঙ্গী হিসেবে, কারণ তারা বিশাল ঐশ্বর্যের প্রদর্শনী এনেছিল কবির কাছে। পরবর্তীকালে তিনি যখন ফেলে আসা দিনগুলোর কথা একাকী ভাবতেন, তখন ড্যাফোডিল ফুলের এই নান্দনিক দৃশ্য তাঁর মানসচোখে ভেসে উঠত এবং তাকে আনন্দ দিত। সেই সাথে তাঁর হৃদয় নৃত্যরত ড্যাফোডিল ফুলগুলোর সাথে নেচে উঠত। - নৈসর্গিক দৃশ্যাবলির রূপকার কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রচিত 'Lyrical Ballads' (লিরিকাল ব্যালাডস) যা তিনি বিখ্যাত কবি কোলারিজের সহযোগিতায় রচনা করেন। এটি প্রথম সংস্করণে ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত কবিতা 'Tintern Abbey' সংকলিত হয়। যা ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ 'Tintern Abbey' কবিতায় নৈসর্গিক দৃশ্যাবলির কবির গভীর আত্মিক যোগাযোগ ও প্রকৃতির প্রতি নিবিড় আকর্ষণ লক্ষ করা যায়। এখানে কবি নিসর্গ চিত্রের মাঝে মহান স্বর্গীয় এক উজ্জ্বলতার প্রকাশ লক্ষ করা যায়। এটা সহজে বলা যায় যে, কবি তার অন্তরের গহীনতর প্রদেশে সদা লালন করেছেন প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা। 'Tintern Abbey' রচনার সাথে কবির ব্যক্তি জীবনের নানা বিষয় জড়িত। ১৭৯৩ সালে কবি স্যালিসব্যারি হতে নর্থ ওয়েলস এর পথে পদব্রজে যাত্রা করেছিলেন। পথে যেতে যেতে তিনি পথিমধ্যে টিনটার্ন নামক ভগ্ন প্রায় গির্জাটি দেখতে পান। এই ভগ্ন প্রায় গির্জাটির অবস্থান ছিল ওয়ে নদীর কিনারে। এর চারপাশে প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্যাবলি কবিকে রীতিমতো আকৃষ্ট করেছিল। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর ১৭৯৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে কবি ফের টিনটার্ন গির্জা দেখতে যান। দ্বিতীয়বার দর্শনে এর চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি কবিকে মোহিত করে। কবি এর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি দ্বারা মুগ্ধ হয়ে এ কবিতাটি রচনা করেন। - কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর 'Michael' কবিতায় একজন মেষপালকের জীবন যাত্রার হাসি কান্না ও বেদনার অপরূপ চিত্র তুলে ধরেছেন।
মাইকেল একজন মেষপালক। সে গ্রেসমেয়ার নামক এক নির্জন পাহাড়ি উপত্যকায় বাস করেন। তার সাথে বাস করেন তার স্ত্রী ইসাবেল। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মাইকেল মেষ চারণে শ্রমে ক্লান্তিহীন, শুধু মেষ পালনে নয় অন্য সকল কর্মেও সে কুশলী।
সে আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি বলতে পারে, বাতাসের গতিবেগ দেখে সে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানিয়ে দেয় প্রতিবেশিদের। সারাদিন কঠোর শ্রম দানে তার কোন ক্লান্তি নেই। তাঁর স্ত্রী ইসাবেলও খুবই করিৎকর্মা; সে তার চরকায় সুতা কাটে দিনরাত। মহান ঈশ্বরের ইচ্ছায় মাইকেল যখন সত্তরে পা রেখেছে তখন ঘর আলো করে এক পুত্র সন্তান। মা বাবা তার নাম রাখল লুক। জীবনের সমস্ত ভালোবাসা মাইকেলের লুককে অবলম্বন করেই। লুককে বুকে ধরে আনন্দে দিন কাটে এ দম্পতির। লুক সারাদিন দুরন্তপনা করে বেড়ায়, ঘুরে বেড়ায় উপত্যকা জুড়ে। আবার মাইকেল জমিজমার অধিকারী, চাষাবাদ হয়, তাতে করে মাইকেলের মোটামুটি আয় রোজগার যথেষ্ট। এভাবেই তিন জনের সুখে দুঃখে কেটে যাচ্ছিল দিনগুলো। মাইকেল তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র মোটা অংকে টাকা প্রদান করে ব্যবসার জন্য। শেষে তার অর্ধেক জমি বিক্রি করে ঋণ শোধ করে। মাইকেল ভাবে তাঁর বাকি সম্পত্তি নষ্ট করা যাবে না, পুত্র লুকের জন্য তা রাখতে হবে।
মাইকেল একসময় ভাবল তার এই পুত্র যদি বিদেশে গিয়ে আয় রোজগার করে, তাহলে তো তাদের সমস্যা থাকা কথা নয়। এই ভেবে সে তার প্রবাসী আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। লুকের মা নানা টানা পোড়েনে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে শেষে রাজি হয়। পুত্রের চলে যাওয়ার বিষয়টি রীতমতো মাইকেলকেও আঘাত করে। অবশেষে একদিন দু'জনের চোখের মনি, আদরের ধন একমাত্র পুত্র বিদেশে চলে যায়। মা বাবা আশায় বুক বেধে থাকে। লুক প্রথম দিকে নিয়মিত পত্র লিখত, ভালো ভালো খবর পাঠাত। এর পর ক্রমেই পত্রের সংখ্যা কমতে কমতে শেষে বন্ধ হয়ে যায়। মাইকেল জানতে পারল লুক তার আত্মীয়ের কাছ হতে সরে অন্য এক দেশে পাড়ি জমিয়েছে। হতাশায় ভেঙে পড়ল মাইকেল, শোকে দুঃখে একদিন ইহকাল ত্যাগ করল। মাইকেলের খামার অঞ্চল বিক্রি হয়ে গেল। ভেঙে পড়ল ঘর দরজা, সেখানে তখন শুধু চাষাজমি আর একটি ওক গাছ দাঁড়ানো কালের সাক্ষী হয়ে।
মোটকথা একজন মেষপালকের জীবনের হাসি-কান্না, ব্যথা-বেদনা আর আশা আঙ্ক্ষার কাহিনী এখানে অসাধারণ মহিমায় অংকন করেছেন কবি। - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রচিত গীতি কবিতাগুলোর মাঝে (Ode: Intimations Immortality) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ কবিতার কিছু অংশ লেখা হয় ১৮০৩ সালে। অবশিষ্ট অংশ লেখা হয় ১৮০৬ সালে। এখানে কবিতার মূল বিষয় হচ্ছে মানবের আত্মার অবিনশ্বরতা। মানব পৃথিবীতে আসার পর তার আত্মা থাকে উজ্জ্বলতায় ভরা, আনন্দে মুখরিত প্রকৃতির নানা রূপরাজি, রূপরস স্পর্শ গন্ধ সবই তার কাছে থাকে একেবারই আনকোরা। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ভেতরের আশা আকাঙ্ক্ষা, প্রকৃতির আনন্দ উৎসবের প্রতি ভাটা পড়ে। প্রকৃতির রূপ রঙ তার কাছে ম্লান হতে থাকে। শিশুকাল থাকে বর্ণিল আনন্দে মুখরিত সবকিছুই ধর্মীয় আভাযুক্ত মনে হয়। কবি বলেন, আমাদের জন্ম শুধু ঘুম আর ভুলে যাওয়া, কিন্তু আমাদের মাঝে জেগে থাকে অবিনশ্বর আত্মা।
কবি শিশুর নতুন জীবনের প্রতি তাকিয়ে অনুভব করেন কী উজ্জ্বলতা তার মাঝে, আর এই শিশু যখন ক্রমে পরিণত বয়সের দিকে অগ্রসর হয়ে উঠে যেতে থাকবে আনন্দ উল্লাসপ্রকৃতির যে রঙ সে শৈশব কৈশোরে অবলোকন করা হয়েছে তা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসবে। কবি বলেন শেষ পর্যন্ত আমাদের আনন্দ উল্লাস ভষ্মধারা অর্থাৎ ছাইগাদায় কোন রকমে টিকে থাকে। জীবন হতে বহু মধুর স্মৃতি হারিয়ে যায়, নানা ভাবনা দুঃচিন্তা এসে এসে ভর করে। কবি বলেন আমাদের এ মানবাত্মা স্বর্গলোক হতে পরিচ্ছন্ন একটা রূপ ধারণ করে। পৃথিবীর আবিলতা ক্রমেই সে আত্মাকে গ্রাস করে। কবি বলেন, দেহের বিনাশ ঘটলেও আত্মার বিনাশ ঘটবে না কখনোও। পৃথিবীর সমস্ত আবিলতা আর কোলাহলের মাঝেও মানবের আত্মা অন্তরের আহ্বান, আত্মলোকের আলোকবর্তিকা হৃদয়ে ধারণ করে রাখে। আর আমাদের আত্মা বহু দূর হতে অমরত্বের সমুদ্রকে দেখে, আদি মানবাত্মা যে স্থান হতে এসেছিল এ পৃথিবীতে। কবি বলেন, মহান ঈশ্বরের সৃষ্টি আর অপার মহিমা তিনি অন্তর দ্বারা অনুভব করেন। তিনি বলতে চান তিনি মহান ঈশ্বরের অলৌকিক বাধনে বাঁধা। কবি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরিশেষে এই বলেন যে, আমি বেঁচে আছি কোমলতার মাঝে অনিত্যতার মাঝে নানা বিজয় আনন্দ বহন করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Sir Walter Scott |
Famous works:
|
- He was a Scottish historical novelist, playwright, and poet.
- He is called the 'Father of both the Regional and Historical Novels."
- Ivanhoe (ইভান হো) তার শ্রেষ্ঠতম উপন্যাস (ঐতিহাসিক)
His well-known works:
- Ivan Hoe (novel) ('আইভানহো')
- Patriotism (poem)
- The Talisman (দ্য ট্যালিসম্যান')
- The Lady of the Lake (novel)
- Waverley
- The Heart of Midlothian ('দ্য হার্ট অব মিডলোথিয়ান')
- The Bride of Lammermoor. (দ্য ব্রাইড অব লামারমুর')
- Rob Roy
'দ্য হার্ট অব মিডলোথিয়ান' (The Heart of Midlothean) :
উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দ। এডিনবরার পুরতন কারাগারের নাম 'দ্য হার্ট অব মিডলোথিয়ান'। এই নাম থেকেই স্কট এই উপন্যাসটির নামকরণ করেন। ঘটনাস্থল ইংল্যান্ড। ১৭৩৬ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত পটুয়াস দাঙ্গার কথা দিয়েই কাহিনী শুরু হয়। নগরী বাহিনীর প্রধান ক্যাপ্টেন জন পটুয়াস যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই উইলসন নামে এক দস্যুর ফাঁসা দেখতে সমাগত জনতার উপর তার বাহিনীকে গুলি ছুঁড়তে আদেশ দেয় এবং নিজেও গুলি ছোঁড়ে। বিচারে তার প্রাণদণ্ডের আদেশ হয়, কিন্তু পরে ক্ষমা লাভ করে। উইলসনের সহযোগী রবার্টসনের নেতৃত্বে একদল ক্রোধোন্মত্ত জনতা সেই কারাগার ভেঙ্গে পটুয়াসকে বের করে নিয়ে আসে এবং তাকে দড়িতে ঝুলিয়ে দেয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে এবং এফিডিনসের এক সত্য ঘটনাও স্কট যুক্ত করে দেন উপন্যাসের কাহিনীর বুননে। রবার্টসন, প্রকৃত নাম জর্জ স্টানটোন ছিল এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের বেপরোয়া যুবক এফিডিনসের প্রেমিক। এফিডিনস শিশুহত্যার দায়ে ঐ কারাগারে বন্দী ছিল। ঐ কারাগার ভাঙ্গার পরিকল্পনার পেছনে রবার্টসনের আর একটা উদ্দেশ্য ছিল এবং তা হচ্ছে এফিডিনসকে যুক্ত করা। কিন্তু এফি এভাবে পালাতে অস্বীকার করে। এফির বিচার হয়। এফির সৎবোন জেনি এফির মুক্তির স্বার্থে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করে। বিচারে এফির প্রাণদণ্ডের আদেশ হয়। হাঁটতে হাঁটতে জেনি লন্ডনে গিয়ে উপস্থিত হয় এবং আরগিলের ডিউকের সহায়তায় রানি ক্যারোলিনের সাক্ষাৎ লাভ করে। জেনি তার ঐকান্তিকতা ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহারে রানিকে সন্তুষ্ট করে বোন এফির জন্য রাজকীয় ক্ষমা লাভ করে। ডিউকের অনুগ্রহে জেনি তার প্রেমিক প্রেসবিটারিয়ন মন্ত্রী রুবেন বাটলারকে বিয়ে করতে সম্মত হয়, জেনির পিতা ডিউকের জমিদারিতে একটা ভালো পদেও নিযুক্ত হন। এফিও তার প্রিয়তমাকে বিয়ে করে হয় লেডি স্টানটোন। এর পর জানা যায় যে শিশুহত্যার দায়ে যে অভিযুক্ত হয়েছিল সে প্রকৃতপক্ষে জীবিত। এক অপ্রকৃতিস্থ মহিলা কর্তৃক শিশুটি অপহৃত হয় এবং দস্যুদলের হাতে পড়ে। জেনির স্বামী স্যার জর্জ স্টানটোন তার খোঁজ পাওয়া পুত্রটিকে উদ্ধারের চেষ্টায় আকস্মিকভাবেই ঐ দস্যুদলের কাছে এসে উপস্থিত হয়। এবং এক খণ্ডযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এক দস্যুর হাতে নিহত হয়। ঐ দস্যু আর কেউ নয়, সে তারই হারিয়ে যাওয়া ছেলে।
'আইভানহো' (Ivanhoe) :
উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৮১৯ খ্রিষ্টাব্দ। ঘটনাস্থল ইংল্যান্ড। উপন্যাসের পাত্র-পাত্রীগণও ইংল্যান্ডের অধিবাসী। প্রথম রিচার্ডের সমকালীন স্যাক্সন এবং নর্মানদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব সংঘাত উপন্যাসটির পটভূমিকা রচনা করেছে।
স্যাক্সন বংশোদ্ভূত অভিজাত পরিবারের সন্তান আইভানহো। আইভানহো পিতা সেড্রিকের আশ্রিতা রাওয়েনাকে ভালোবাসেন। রাওয়েনা রাজা আলফ্রেডের বংশোদ্ভূত, সেজন্য পিতা সেড্রিক চান স্যাক্সন রাজবংশের কোন একজনের সঙ্গে রাওয়েনার বিয়ে হোক। এই নিয়ে মতভেদ হওয়ায়, রাগের মাথায় পিতা পুত্রকে নির্বাসিত করেন। আইভানহো রাজা প্রথম রিচার্ডের সঙ্গে ধর্মযুদ্ধে যোগদান করেন। রাজা রিচার্ডের শত্রু তাঁর ভাই জন। জন রিচার্ডকে সিংহাসনচ্যুত করতে চায়। আইভানহোর সাহায্যে রিচার্ড শত্রুদের পরাজিত করেন। কিন্তু তিনি আহত হন। আইভানহো আহত হওয়ায় তাঁকে শুশ্রূষা করে বাঁচিয়ে তোলেন আইজাক- এর মেয়ে রেবেকা। পরে যখন দুর্বৃত্তেরা রেবেকার সর্বনাশ করতে কৃতসঙ্কল্প, তখন আইভানহো তাকে রক্ষা করেন। আইভানহোর প্রতি রেবেকার প্রেম ভীরু কৃষ্ণকলির মত। না ফুটেই ঝরে পড়ল। আইভানহোর সঙ্গে রাওয়েনার মিলন হলো।
সে যুগে ব্যক্তিত্বকে ছাপিয়ে প্রতিবেশেরই প্রাধান্য ছিল। প্রেম ছিল বীরাচারের অনুপন্থী। তাই তাঁদের প্রেমচিত্র বর্ণহীন, মামুলী ও কৃত্রিম রীতির আদর্শে আড়ষ্ট। সম্ভ্রান্ত বংশীয় নায়ক-নায়িকার প্রেম নিবেদন একেবারে ছকে বাঁধা। আইভানহো রাওয়েনার সমস্ত আচরণ ও সংলাপ শ্রেণি প্রতিনিধিমূলক। তাঁদের নিজেদের ব্যক্তিগত কথা বড় একটা শোনা যায় না। তবু উপন্যাসে রেবেকা নিন্দনীয় ইহুদি জাতির মেয়ে হওয়ায় তাঁর অবস্থা বৈগুণ্যের জন্য চরিত্রটি অনেকটা প্রাণবন্ত হয়েছে।
বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্র অনেকটা স্কটের ঐতিহাসিক উপন্যাসের পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। বঙ্কিমের উপন্যাসের ইতিহাস কল্পনানুরঞ্জিত ও আদর্শধর্মী। 'দুর্গেশনন্দিনী'তে 'আইভানহোর'র প্রভাব নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলে থাকেন। কিন্তু বঙ্কিম একে কোনদিনই আমলে নেননি। অথচ অনেকেই বঙ্কিমকে 'বাংলার স্টট' এই আখ্যায় অভিহিত করেন।
'দ্য ব্রাইড অব লামারমুর' (The Bride of Lamarmoor) :
উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৮১৯ খ্রিষ্টাব্দ। স্যার ওয়াল্টার স্কট রোমান্টিক যুগের একজন শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। স্কটের উপন্যাস পড়তে পড়তে যা প্রথমেই অনুভব করা যায়, তা হচ্ছে তাঁর গল্প বলার ক্ষমতা।
স্কটের 'দ্য ব্রাইড অব লামারমুর' উপন্যাসের স্যার রেভনম্বুড় খানিকটা অতিনাটকীয় চরিত্র। ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার জন্য তিনি রাজকোপে পড়েন। শুরু হয় বিড়ম্বনা, বিপর্যয়, সেই নিয়তি-বিড়ন্বিত অবস্থা, নিদারুণ আর্থিক অনটনের মধ্যেও তাঁর মর্যাদা রার ব্যর্থ প্রয়াস এবং প্রেমের ব্যাপারেও বিপর্যয়কে রোখবার ব্যর্থ প্রচেষ্ট তাঁকে এক অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী করেছে। এই লামারমুরের বধূ-প্রসঙ্গ রয়েছে রবীন্দ্রনাথের 'পঞ্চভূত' গ্রন্থের 'নরনারী' প্রবন্ধে। সেখানে পাই- "লামারমুরের নায়িকা আপনার সকরুণ সচল সুকুমার সৌন্দর্যে যতই আমাদের মনোহরণ করুক না কেন, রেভনম্বুডের বিষাদঘনঘোর নায়কের নিকট হতে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়া লইতে পারে না।” শত্রুকে মৃত্যুমুখ থেকে উদ্ধার করেছিলেন যুবক রেভনম্বুড়। আর ঐ শত্রু কন্যার সঙ্গে হয়েছিল তাঁর ভালবাসা। কিন্তু মিলন হলো না। কুচক্রীর ষড়যন্ত্রে মেয়েটির বিয়ে অন্যত্র। রেভনসুড্ ছুটলেন তাঁকে উদ্ধার করতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত" ঠিক সময়ে পৌঁছুতে পারলেন না। মেয়েটি উম্মাদিনী হয়ে আত্মহত্যা করে। লর্ড রেত্নম্বুড সত্যই ভাগ্যবিড়ম্বিত।
একটা চমৎকার গল্প বলার মতার জন্যই এই উপন্যাসটি পাঠকমনকে আকর্ষণ করে। উপন্যাসের শুরু থেকেই পাঠকমনের কৌতূহল একটার পর একটা ঘটনার আঘাতে ক্রমশ বেড়ে চলে এবং ঘটনার বিয়োগান্তক পরিণতি পরিণামে পাঠক মনকে আবিষ্ট করে রাখে।
'দ্য ট্যালিসম্যান' (The Talisman) :
উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৮২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তীর্থনগর জেরুজালেম-উদ্ধারার্থ খ্রিষ্টানদের সামরিক অভিযান বা জেহাদকে বলা হয় ধর্মযুদ্ধ। উপন্যাসের কাহিনী ইতিহাসের ছায়া অবলম্বনে রচিত।
ইংল্যান্ডের রাজা সিংহ হৃদয় রাজা রিচার্ডের (Richard the Lion-Hearted) নেতৃত্বে ধর্মযোদ্ধাদের (Crusaders) এক বিরাট বাহিনী জেরুজালেমে শিবির সংস্থাপন করে অবস্থান করছিল। কিন্তু রিচার্ডসহ অন্যান্য দলপতিদের মধ্যে পারস্পরিক মতানৈক্য এবং ঈর্ষায় তাঁদের মধ্যেই চলছিল ছিন্নভিন্ন অবস্থা। ওঁদের মধ্যেকার এই অভ্যন্তরীণ সংকটকে আরো ঘণীভূত করল রিচার্ডের অসুস্থতা। ফলে সৈন্যগণও ক্রমশ" শক্তিহীন হয়ে পড়তে আরম্ভ করল।
স্যার কেনেথ বা লিওপার্ডের নাইট (Kinght) ধর্মযোদ্ধা সেই সময় শিবির থেকে দূরে সারাসনের আমীরের সঙ্গে যুদ্ধরত ছিলেন, সেই যুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছবার আগেই আমীরের সঙ্গে তাঁর বসল দীর্ঘ আলোচনা বৈঠক। এর ফলে উভয়ের মধ্যে গড়ে উঠল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতা। এই আমীর সলদানের প্রেরিত চিকিৎসকের ছদ্মবেশে অসুস্থ রিচার্ডের নিকট খ্রিষ্টান শিবিরে এসে উপস্থিত হন এবং রিচার্ডকে সুস্থ করে তোলেন। ইতোমধ্যে একদিন লিওপার্ডের নাইট স্যার কেনেথকে রাত্রিতে ইংরেজ শিবিরের পতাকা রক্ষা দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু রিচার্ডের পত্নী রানি বেরেনগারিয়া একটা বিশেষ খবরের কথা বলে তাকে সেখান থেকে খেলাচ্ছলে ডেকে নিয়ে আসেন। স্যার কেনেথের সেই স্বল্পকালীন অনুপস্থিতির অবসর তার প্রভুভক্ত শিকারী কুকুরটি আহত হয় এবং ইংরেজ পতাকা হয় ছিন্নভিন্ন। ফলে স্যার কেনেথ অপমানিত হন এবং ঐ মূল চিকিৎসকের সহায়তায় রিচার্ডের আদেশে প্রাণদণ্ড থেকে কোনক্রমে রক্ষা পান। ছদ্মবেশী চিকিৎসক এই আমীর স্যার কেনেথকে ক্রীতদাস হিসেবে রিচার্ডের কাছ থেকে গ্রহণ করেন। আমীর এর সঙ্গে অবশ্য সদয় এবং সম্ভ্রমপূর্ণ ব্যবহারই করেন এবং একজন কৃষ্ণকায় বোবা পরিচারকের ছদ্মবেশে তিনি স্যার কেনেথকে তাঁর প্রাণ-রক্ষাকর্তা রিচার্ড সকাশে প্রেরণ করেন। রিচার্ড তীক্ষ্মদৃষ্টিতে ছদ্মবেশে তিনি স্যার কেনেথকে চিনতে পারেন এবং স্যার কেনেথের প্রার্থনা মত ঐ ইংলিশ পতাকা ছিন্নভিন্ন এবং শিকারী কুকুরকে আহত করার জন্য কে দায়ী তা খুঁজে বের করবার একটা সুযোগ দেন। একদিন খ্রিষ্টান রাজবংশীয় পুরুষগণ, সেনাপতিবর্গ ও সৈন্যগণ সমবেত হয়ে যখন পুনঃসংস্থাপিত ইংরেজ জাতীয় পতাকা অভিবাদন করল, সেই সময় শিকারী কুকুরটি অশ্বারোহী মনফারাটের কনরেড (Conrade of Montferrat) এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্যার কেনেথ এবং মনফারাটের মধ্যে হয় দ্বন্দ্বযুদ্ধ। সেই যুদ্ধে মনফারাট হন আহত এবং পরাজিত। এই সঙ্গে এও জানা যায় যে স্যার কেনেথ হচ্ছেন আসলে স্কটল্যান্ডের যুবরাজ ডেভিড। এর ফলে স্যার কেনেথ- এর সম্ভ্রান্ত বংশীয় পূর্ব প্রণয়ী এডিথ প্লান্টাজেনেটের সঙ্গে মিলনের বাধাও দূর হয়।
ট্যালিসম্যান অর্থ রাকবচ। এটা হচ্ছে মন্ত্রপূত" কবচ, যা দিয়ে আমির রিচার্ডকে রোগমুক্ত করেন এবং যা স্যার কেনেথকে দান করেন। এর সাহায্যেই স্যার কেনেথ সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে ত্রাণলাভ করে তাঁর অভীষ্ট লাভে সমর্থ হন। এই সূত্র থেকেই উপন্যাসটির নাম 'ট্যালিসম্যান'।

Samuel Taylor Coleridge | |
| জীবনকাল | Birth: 1772 Death: 1834 |
| পরিচিতি | |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
Brief History :
He was an English poet, literary critic and philosopher who, with his friend William Wordsworth, was a founder of the Romantic Movement in England and a member of the Lake Poets.
স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ তার দুটি দীর্ঘ কবিতা "The Rime of the Ancient Mariner" (দ্যা রাইম অব দ্যা এনসিয়েন্ট মেরিনার- এবং "Christabel" (ক্রিসটাবেল-এর জন্য বিখ্যাত। "The Rime of the Ancient Mariner" এটি প্রথম প্রকাশিত হয় "Lyrical Ballads" এ। এখানে কবি বর্ণনা করেছেন একজন নাবিকের নৌপথে ঘরে ফেরার পথে তার দুর্ভোগের কথা যখন সে আলব্রাটস নামে একটি পাখিকে অনর্থকভাবে মেরেছিল।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. Coleridge হলেন Romantic যুগের অন্যতম আর একজন শক্তিমান লেকক/কবি।
ii. He is called Opium Eater
iii. Coleridge কে এছাড়াও বলা হয়- The poet of Supernaturalism হিসেবে।
iv. Coleridge এবং Wordsworth যৌথভাবে Lyrical Ballads প্রকাশ করেন।
v. Coleridge এর সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ- Biographia Literaria. {"ব্রায়োগ্রাফিয়া লিটারারিয়া” তাঁর আত্মজীবনী নয়। এটি হল সাহিত্যের জীবনচরিত। এতে চব্বিশটি পরিচ্ছেদ আছে। তার মধ্যে তেরটি পরিচ্ছেদে তিনি কেবল দার্শনিকতা করেছেন। চৌদ্দ পরিচ্ছেদে “লিরিক্যাল ব্যালাড”-এর সূচনার বর্ণনা দিয়েছেন, পনের পরিচ্ছেদে শেক্সপীয়ারের নাটকের কাব্যশক্তির লক্ষণ সম্বন্ধে আলোচনা করেছেন, ষোল পরিচ্ছেদে বর্তমানকালের সঙ্গে পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর সাহিত্যের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছেন, শেষের সাতটি পরিচ্ছেদগুলোতে সমালোচনার প্রদীপ্ত স্বাক্ষর রেখেছেন। যে দার্শনিক চিত্মার উপর ভিত্তি করে তিনি সাহিত্যতত্ত্বের আলোচনা করেছেন তা হল প্রধানত জার্মান দার্শনিক কান্টের দার্শনিক তত্ত্ব। কান্ট মনে করেন, "Subjectivity is aesthetic quality" অর্থাৎ আত্মগতভাব হলো শিল্পের প্রধান গুণ।}
vi. তিনি হলেন Wordsworth এর (Collaborator) সহযোগী।
vii. Coleridge একজন Romantic Poet এবং Lake District poet হিসেবে পরিচিত।
viii. Coleridge Composed (রচনা করা) his poems mainly on supernaturalism.
ix. তিনি নিযুক্ত হয়েছিলেন- Public Secretary of Malta হিসেবে।
x. Coleridge-Zapolya নাটকটি রচনা করেন Shakespeare এর Winter's Tale নাটকের অনুকরণে।
xi. Coleridge এর বিখ্যাত কবিতাগুলো হলো "The Rime of the Ancient Mariner", "Christabel", Kubla Khan"
xii) তিনি হলেন Wordsworth এর (Collaborator) সহযোগী।
xiii) Biographia Literaria বইয়ের বিখ্যাত দুটি লাইন হলো:
(ix) Imagination is the soul of poetic genious.
(x) Poetry is the first and last of all knowledge - it is as immortal as the heart of man.
His well-known works :
- The Rime of Ancient Mariner (এই কবিতায় Albatross পাখির কথা আছে।)
- Kubla Khan (A Romantic poem; স্বপ্নে পাওয়া অসম্পূর্ণ কবিতা। আফিম খেয়ে ঘুমানোর পর তিনি একটি স্বপ্ন দেখেন।)
- Fears in Solitude
- Dejection: An Ode
- The Nightingale: A Conversation Poem
- Biographia Literaria (Literary criticism)
- যে সব কবিতার মধ্যে শিশুর উলঙ্গ উদার দৃষ্টির প্রকাশ ঘটেছে সেগুলি হল, "দি ডে ড্রিম" (The Day Dream). "দি ডেভিলস থট" (The Devil's Though). "দি সুইসাইড আরগুমেন্ট" (The Suicide Arguments). "দি ওয়ান্ডারিংস অব কেইন” (The Wanderings of Cain). "যদি রিলিজিয়স মিউজিংস” (The Religious Musings.) "দি ডেসটিনি অফ নেশনস্" (The Destiny of Nations). এবং “ওড্ টু ডিপারটিং ইয়ারস" (Ode to Departing Years).
ST Coleridge এর কবিতা মনে রাখার কৌশল: ABCD
A = Ancient Mariner [এই কবিতায় একটি পাখির কথা বলা হয়েছে যার নাম Albatross]
B = Biographia Literaria (criticism)
C = Christabel (ক্রিস্টাবেল) (১৭৯৭ সালে কোলরীজ "ক্রিষ্টাবেল" কবিতাটির প্রথমাংশ রচনা করেন। দ্বিতীয়াংশটি ১৮০০ সালে রচনা করেন। কবিতাটিকে কবি পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে পারেননি। অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।)
= Kubla Khan (১৭৯৮ সালে রচিত "কুবলাখান” কবিতাটিও অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।)
D = Dejection: An Ode
S.T. Coleridge এর কিছু Quotations:
- Alone, alone, all, all alone Alone on a wide, wide sea. (একা, একাকী পুরো সীমাহীন একা, একা এই সীমাহীন সমুদ্রে।) (The Rime of The Ancient Mariner)
- Water, water, everywhere Nor any drop to drink. (পানি, পানি, সবখানে শুধু পানি, পান করবার নেই এক ফোঁটা পানি।) (The Rime of The Ancient Mariner)
"The speaker, a sailor on a becalmed ship, is surrounded by salt water that he cannot drink. Note: By extension, these lines are used to describe a situation in which someone is in the midst of plenty but can-not partake of it. (The Rime of The Ancient Mariner) - He prayeth best, who loveth best
All things both great and small. (শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা তার, ভালোবাসে যে, ছোট বড় সমত্ম কিছুকে; জীবে প্রেম করে যেই জন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর) (The Rime of The Ancient Mariner) (ক্ষুদ্র বৃহৎ সব কিছুই তো ঈশ্বরের ভালবাসা। মানুষের হৃদয়ে এই ভালবাসা আছে বলেই মানুষ সকল রকম অশুভ শক্তির হাত থেকে মুক্তি পায়। যেমন ক্রিষ্টা বেল পেয়েছে অশুভ শক্তির প্রতীক জিরালডাইনের হাত থেকে মুক্তি।)
S.T. Coleridge- এর বিখ্যাত গ্রন্থ The Rime of the Ancient Mariner- এর সার সংক্ষেপ:
প্রাচীন নাবিক/ Ancient Mariner বিবাহ অনুষ্ঠানের তিনজন অতিথির একজনকে থামান এবং নিজের গল্প বলা শুরু করেন। একদিন তিনি অন্যান্য নাবিকদের সাথে দক্ষিণ অভিমুখে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। আবহাওয়া শান্তই ছিল। এক পর্যায়ে তাদের জাহাজ কুয়াশাবৃত বরফের রাজ্যে পৌছায়। আবহাওয়া তখন খারাপ হয়ে যায়। একটি আলবাট্রোস পাখি তাদের জাহাজ বরাবর উড়ে আসল এবং শীঘ্রই আবহাওয়া অনুকূলে পরিণত হলো। তারা সবাই আলবাট্রোসের প্রশংসা করল। কিন্তু Ancient Mariner অযথাই ধনুক নিয়ে পাখিটিকে হত্যা করলে আবহাওয়া পুনরায় খারাপ হলো। নাবিকেরা এজন্য Ancient Mariner কে দোষ দিল এবং মৃত Albatross কে তার গলায় ঝুলিয়ে দিল। বাতাস থেমে গেল; সমুদ্রের পানি পঁচে গেল। অবাঞ্চিত প্রাণিরা চারপাশে কিলবিল করতে লাগলো। Ancient Mariner ছাড়া সকল নাবিক তৃষ্ণায় মারা গেল। তিনি তার অপরাধের জন্য অনুশোচনা করলে তার ঘাড় থেকে মৃত Albatross পড়ে গেল এবং বৃষ্টি শুরু হলো। এক সময় Ancient Mariner তার দেশের নৌ-বন্দর দেখতে পেলেন, তিনি মুক্তি অনুভব করলেন। কিন্তু হঠাৎ করে প্রচণ্ড শব্দ করে জাহাজটি তলিয়ে গেল। তবে ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান।
Kabla khan : কবি স্যমুয়েল টেলর কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা Kabla khan সম্পর্কে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, কবি Purchas's Pilgrimage নামক একটি গ্রন্থ পাঠ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন আর ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে তাঁর এই কবিতার বিষয়বস্তুটি লাভ করেন।
কোলরিজের এই কবিতাটি নানা দিক হতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কবি এখানে মধ্যযুগীয় একজন ক্ষমতাবান মোঙ্গল শাসকের ইচ্ছের কথা, আকাঙ্ক্ষার বিষয় এবং তাঁর নির্দেশিত প্রমোদ প্রসাদের মনোজ্ঞ বর্ণনা প্রদান করেছেন।
মোঙ্গল নৃপতি কুবলা খান যে স্থানে প্রসাদ নির্মাণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন সে স্থানটির নাম জানাডু। নির্দেশিত প্রসাদ পরিকল্পনা যেন অসাধারণ মঙ্গোলিয়ার অভ্যন্তরে পাহাড়ি অরণ্য ঘেরা, ঝর্ণা ধারা শোভিত একটি স্থান। কবির বর্ণনায় কুবলা খানের নির্দেশিত প্রসাদ পরিকল্পনা যেন অসাধারণ মহিমায় মূর্ত হয়ে উঠেছে। দশ মাইল উর্বর জমি বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন কুবলা খান, নিচ দিকে গুহা কেটে তৈরি করা হবে এ ঝর্ণা, যা সাধারণ মানুষ অনুমান করতে সমর্থ হবে না। এই ঝর্ণা ধারার পানি শেষে গিয়ে পতিত হবে অন্ধকার দূর সমুদ্রে। প্রমোদ প্রাসাদটির চারপাশে দেয়াল দ্বারা ঘেরা থাকবে, আরও থাকবে চারপাশ ঘিরে সুগন্ধি পুষ্পরাজির বাগিচা, থাকবে দেবদারু বৃক্ষের ছাওয়া পাহাড়ি ঢালু পথে নেমে আসা পাহাড়ি ঝর্ণা। ক্ষীণ চাঁদের আলোর সেখানে দত্যি প্রেমে মত্ত রমণী কেঁদে কেঁদে ফিরে তাঁর দানব প্রেমিকার তরে, কবির দৃষ্টিতে স্থানটি একসাথে পরম রমণীয় আর ভয়ঙ্কর। সুগন্ধি পুষ্প বৃক্ষের শোভিত বিশাল বিশাল বাগিচা এর শোভা বহন করবে। কবি আরো বর্ণনা করেন, সেই পাহাড়ি ঝর্ণায় প্রচণ্ড বেগে বয়ে চলছে জলধারা। প্রচণ্ড শব্দে উৎক্ষিপ্ত করছে পাথরের টুকরাগুলোকে। এটা মানে কবির মনে হয় পৃথিবীটা যেন শ্বাস নিচ্ছে জোরে জোরে। যে ঝর্ণাধারা গভীর খাদের নিচ দিয়ে গোপনে অন্ধকার সমুদ্রে পড়ছে সেই পথে সম্রাট কুবলা খান শুনতে পান তাঁর পিতৃপুরুষের কণ্ঠস্বর, যাতে তিনি শুনতে পান যুদ্ধের ভবিষ্যত বাণী, এগিয়ে আসছে যুদ্ধ আর সংঘাত। কুবলা খানের প্রমোদ ভবনে ছায়া এসে পড়ে নদীর উপরে যে নদী তীরে খাড়া পাহাড়, যে পাহাড়ে এসে লাগছে ঢেউয়ের আঘাত, আর নদীর জলের সে ঝাপটা কানে বাজে সুমধুর এক সঙ্গীতের সুর। কবি দেখেছেন কুবলা খানের প্রসাদে বাদ্যযন্ত্র হাতে সুদূর আফ্রিকা অঞ্চলের আবিসিনিয়ান এক রমণী গান গাইছে। তার কন্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে তারই অঞ্চলের পার্বত্য সঙ্গীত। কবি বলেন, সেই সঙ্গীত সুধা ফের যদি তিনি নিজের মাঝে জাগাতে পারতেন কিংবা যদি স্বপ্নে দর্শন করা এমন একটি প্রসাদ নির্মাণ করতে পারতেন।
কবি এখানে স্বপ্নে দর্শন করা কুবলা খানের প্রসাদটিকে পাঠকদের সামনে অসাধারণ মহিমায় মূর্ত করে তুলেছেন।

Charles Lamb (1775-1834)
Brief History: He (1775 - 1834) was an English essayist, best known for his Essays of Elia and for the children's book Tales from Shakespeare.
His well-known works:
| 1. Tales from Shakespeare |
| 2. The Adventures of Ulysses |
| 3. Essays of Elia |
| 4. The Last Essays of Elia |

Jane Austen (জেন অস্টেন)
(১৬ ডিসেম্বর, ১৭৭৫-১৮ জুলাই, ১৮১৭)
জেন অস্টেন ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক। ইংল্যান্ডের ভদ্রসমাজের পটভূমিকায় রচিত তাঁর রোম্যন্টিক কথাসাহিত্য তাঁকে ইংরেজি সাহিত্যের সর্বাপেক্ষা বহুপঠিত লেখকদের সারিতে স্থান দিয়েছে। তাঁর বাস্তবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও তীক্ষ সমাজ বিশ্লেষণ গবেষক ও সমালোচক মহলে তাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্বের স্থানটি পাকা করেছে। তার রচিত বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হচ্ছে 'প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস' এবং 'সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি'।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- Jana Austen হলেন Romantic যুগের অন্যতম একজন মহিলা উপন্যাসিক।
- তিনি ছিলেন একজন anti-romantic novelist in the Romantic Age.
- তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো Pride and Prejudice, Sense and Sensibility, Emma.
- Pride and prejudice উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো Mr. Darcy, Elizabeth Bannet, Jane Bannet, Charles Bingley, Mr. William Collins, Kitty Bannet, Lydia Bannet.
List of works :
Novels: [উপন্যাস] জেন অস্টেন
|
Jane Austen এর উপন্যাস মনে রাখার কৌশল :
Emma - Park-এ বসে Austen এর সাথে Love, Friendship, Pride, Sense ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছে।
i) Emma = Emma
ii) Park Mansfield Park
iii) Love = Love and Friendship
iv) Sense =Sense and Sensibility
v) Pride = Pride and Prejudice
Jane Austen এর বিখ্যাত গ্রন্থ Emma এর সারসংক্ষেপ :
সুশ্রী ও স্বাধীনতা প্রিয় সুন্দরী তনয়া Emma Woodhouse বাবার সাথে ছোট্ট Highbury শহরে বাস করে। জীবনে বিয়ে করার ইচ্ছা না থাকলেও পরবর্তীতে সে Harriet Smith কে স্বামী হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে Emman, Frank Churchill-কেও প্রেমের ফাঁদে ফেলতে চেষ্টা করে। কিন্তু অবশেষে Emma বুঝতে পারে যে, তার মন সাত্যিকার অর্থে তার উপদেশদাতা Mr. Knightley কে ভালোবাসে। অবশেষে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

George Gordon, Lord Byron (22 January 1788-19 April 1824)
জর্জ গর্ডন বায়রন, একজন ব্রিটিশ কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের অন্যতম মূখ্য ব্যক্তিত্ব। বায়রনের বিখ্যাত কর্মের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা 'Don Juan' এবং 'Childe Harold's Pilgrimage', এবং ছোট গীতি কবিতার মধ্যে রয়েছে- 'She Walks in Beauty' তিনি একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ব্রিটিশ কবি হিসাবে বিবেচিত হয় এবং তার লেখা ব্যাপকভাবে পড়া হয়। সে গ্রিকদের স্বাধীনতা যুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যান, যার জন্য গ্রিকরা তাকে জাতীয় বীর হিসাবে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন।
৩৬ বছর বয়সে গ্রিসের মেসলঙ্গি থাকা অবস্থায় সে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বায়রন অপরিমিত অভিজাত জীবন-যাপন করতেন যার মধ্যে রয়েছে তার প্রচুর ঋণ, বহুসংখ্যক প্রণয় ঘটিত সম্পর্ক, তার সৎ বোনের সাথে অজাচারী যৌন সম্পর্কের গুজব এবং নিজ থেকে নির্বাসিত হওয়া। অনুমান করা হয় যে বায়রন বাইপোলার আই ডিসঅর্ডার এবং ম্যানিক ডিপ্রেশনে ভুগতেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Byron হলেন অন্যতম আর একজন শক্তিমান Romantic কবি।
- তিনি Cambridge এ পড়া অবস্থায় ১৯ বছর বয়সে প্রকাশ করেন Hours of Idleness (প্রথম নাম- Juvenilia)
- তিনি গ্রিকদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্যের জন্য Byron Bridge প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং এই Byron Bridge এর মাধ্যমে গ্রিকদের বড় অংকের টাকা ও উৎসাহ দিয়েছিলেন।
- তিনি শুধু এটুকুই করেননি, এছাড়াও তিনি গ্রিকদের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন, ফলে গ্রিকরা তাকে তাদের জাতীয় কবি হিসেবে সম্মানের সাথে মাথা নত করে।
- ইংল্যান্ডের বিদ্রোহী কবি হলো Byron. (আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে Byron এর সাথে তুলনা করা হয়।)
- Byron এর উল্লেখযোগ্য কর্মগুলো হলো Hours of Idleness, Heaven and Earth.
- Done Juan মহাকাব্যের উল্লেখ্যযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- Don Jaun, Donna Julia, Don Alfonso, Don Jose, Donna Lnez.
Quotations :
- Man's conscience is the oracle of God.
- Sweet is revenge-especially to women. (Don Juan)
- Man's love is of man's life a thing apart. Tis woman's whole existence. (Don Juan)
- I loved, love you, for this love have lost, state, station, heaven, mankind's my own esteem. (Don Juan)
Lord Byron এর বিখ্যাত গ্রন্থ Don Juan এর সারসংক্ষেপে :
স্পেইনের অভিলিতে ডন জুয়ানের জন্ম। তাঁর বাবা ডন জোস একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। তার মা ডোনা আইনেজ একজন শিক্ষিত মহিলা। তাঁর পিতা-মাতার সংসার সুখের ছিল না। জুয়ানের বাবা জ্ঞান বা শিক্ষার চেয়ে নারীদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট ছিলেন। পাশাপাশি তিনি জুয়ানের মায়ের প্রতি অবিশ্বাসী ছিলেন। জুয়ানের মা জুয়ানের বাবার সাথে সম্পর্ক ছেদ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তার পূর্বেই জুয়ানের বাবা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। জুয়ানকে শিক্ষিত করাই তাঁর মায়ের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। জুয়ানের বয়স যোল বছর তখন তার মায়ের বান্ধবী ডোন। জুলিয়া তাঁর প্রেমে পড়ে যায়। সুদর্শন জোয়ানের প্রতি তার গভীর আগ্রহ সৃষ্টি হয়। গ্রীষ্মের এক সন্ধ্যায় তারা তাদের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে। ডোনা জুলিয়ার স্বামী ডন আলফনসো তার স্ত্রীকে সন্দেহ করত। এক রাতে সে তার স্ত্রী শোবার ঘরে তার বন্ধুদের নিয়ে প্রবেশ করে এবং পুরুষের একপাটি জুতা দেখতে পায়। ডন জুয়ান তখন বিছানার চাদরের নিচে লুকিয়ে ছিল। অত'পর তার সাথে আলফনসোর ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে জুয়ান তার নাকে আঘাত করে এবং পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পর ডোনা জুলিয়াকে মঠে পাঠানো হয়। অন্যদিকে ডন আলফেনসো তাদের সম্পর্কের ইতি টানার উদ্দ্যোগ নেয়। পাশাপাশি জুয়ানের মা জুয়ানকে পরবর্তী চার বছর বিদেশ ভ্রমণ করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

Percy Bysshe Shelley | |
| জীবনকাল | Birth: 1792 Death: 1822 (আড্রিয়াটিক সাগর অতিক্রমকালে ঝড়ের কবলে পড়লে তিনি সাগরে ডুবে মারা যান) |
| পরিচিতি | বিখ্যাত ইংরেজ কবি P. B. Shelley ছিলেন নাস্তিকতাবাদে বিশ্বাসী। ১৮১১ সালে তিটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় হতে বহিষ্কৃত হন তাঁর The Necessity of Atheism গ্রন্থেরজন্য। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একমাত্র বিপ্লবই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে। এজন্য তাঁকে Revolutionary Poet বলা হয়। তবে তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic কবিদের অন্যতম। |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
১৭৯২ সালের ৪ আগষ্ট ইংল্যান্ডের হোরসাম সাসেক্সের নিকটবর্তী ফিল্ডপ্লেস নামক স্থানে ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত কবি শেলি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা টিমোথি শেলি ছিলেন একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি। প্রচুর সহায়সম্পদ ছিল তাঁর। শেলির প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় বোনদের তত্ত্বাবধানে নিজ গৃহেই।
১৮২২ সালের গ্রীস্মকালে সমুদ্রতীরে নৌকা ভ্রমণকালে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবি হয়ে এই মহান কবি মৃত্যুবরণ করেন। তার বিখ্যাত বইগুলো হচ্ছে, 'কুইন ম্যাব', 'অ্যালাট্টার', 'দি রিভোল্ট অব ইসলাম', এডোনিস', 'দি ডিফেন্স অব পোয়েট্রি' ইত্যাদি।
Brief History :
He (1792-1822) was one of the major English Romantic poets and is crit-ically regarded as among the finest lyric poets in the English language. He is known as the revolutionary poet of English literature. His own wife Mary Shelley was also an author who wrote Frankenstein.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. Shelley হলেন Romantic যুগের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ Romantic কবি।
ii. তিনি নদীতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। [জুলাই মাসের ৮ তারিখ। শেলীর বন্ধু উইলিয়ামকে সঙ্গে নিয়ে নিজের ক্ষুদ্র নৌকাটা আনার জন্যে বেরিয়ে গেলেন। সেদিন সন্ধ্যায় শুরু হল প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি। সেই ঝড়ের মুখে পড়ে শেলীর নৌকা গেল ডুবে। পনের দিন পরে তাঁদের মৃতদেহ ভেসে উঠল সমুদ্রের তটভূমিতে। শেলীর পকেটে তখন ছিল সফোক্লিস ও কীটসের কবিতার বই]
iii. তিনি ছিলেন একজন- Revolutionary poet.
iv. Shelley'র The West Wind কবিতায় The West Wind কে বলেন ধ্বংশকারী ও রক্ষাকারী (Destroyer & Preserver) হিসেবে।
v. P.B. Shelley'র স্ত্রী Mary Shelley-র বিশ্ববিখ্যাত Novel এর নাম Frankenstein (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন) বা The Modern Prometheus.
vi. Shelley উচ্চশিক্ষার জন্য Oxford University তে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু নাস্তিকতাকে সমর্থন করে The Necessity of Atheism লেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।
vii. তার রচিত ২টি নাটক হলো Cenci ও Prometheus Unbound। দুটি নাটকই tregedy (বিয়োগাত্মক)
viii. তার সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ হলো- A Defence of Poetry.
ix. Shelley'র সমসাময়িক অন্যান্যরা অনুপ্রানিত হয়েছিলেন- French Revolution দ্বারা। কিন্তু Shelley ছিলেন ব্যতিক্রম।
x. Shelley ছিলেন একজন Optimistic & Pessimistic (আশাবাদী এবং নিরাশাবাদী/নৈরাশ্যবাদী)।
xi. তার প্রথম দীর্ঘ কবিতা- “Queen Mab”
Famous works of Shelley:
শেলীর প্রথম রচিত কাব্য হল "কুইন ম্যাব” (১৮১৩)। পরবর্তী কাব্য হল “অ্যালাস্টার” (১৮১৫), "দি রিভোল্ট অব ইসলাম” (১৮১৭) ইতালিতে বাস করার সময় শেলী যে কাব্য এবং নাটকগুলি রচনা করেছেন তা হলো, "প্রমিথিউস আনবাউ” (১৮১৮-১৯), “দি চেনসি” (১৮১৯). “জুলিয়ান এ ম্যাড্ডালো” (১৮১৮), "দি মাস্ক অব এনার্কি” (১৮১৯). "দি উইচ অব এটলাস” (১৮২০)।
- Adonais. (প্লেটোর দার্শনিক মতবাদের প্রকাশ তাঁর "এডোসিন” কাব্যে। কাব্যটি শোকগাথা। কবি কীটসের মৃত্যু উপলক্ষে রচিত। কিন্তু কাব্যটির মধ্যে যে সত্যের মর্মকথা তিনি প্রকাশ করলেন তা হল মানুষের জীবন ছায়াবাজির মত চঞ্চল, ও ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আত্মাই অবিনাশী। মৃত্যু ও তাকে ধ্বংস করতে পারে না। মৃত্যু তাকে মুক্ত করে অনত্মের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়। মৃত্যুর পর আত্মা পরমাত্মায় বিলীন হয়ে যায়। এই পরমাত্মা হল স্বয়ং ঈশ্বর।)
- Ode to the West Wind. (পশ্চিমা সমীরণের গান: তিনি পশ্চিমা বায়ুকে destroyer and preserver হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন) [এটা তার সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা।
- Ode to a Skylark (ভরত পক্ষীর গান)
- The Cloud
- Ozaymandias (a famous sonnet) [Main theme: All thing of great and small will perish.]
- The Revolt of Islam (এটি শেলির বিখ্যাত কবিতা)
- A Defense of Poetry (তাঁর সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধ হলো "দি ডিফেন্স অব পোয়েট্রি” (১৮২১)।}
- The Necessity Atheism ("দি নেসেসিটি অব এ্যাথেইজম” (নাস্তিকতার প্রয়োজনীয়তা)। আত্মপ্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গে ঝড় উঠল। শেলী এবং তার বন্ধু টমাস হগকে বিদায় নিতে হল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।)
- Cenci (একটি Tragedy)
- Prometheus Unbound (a four act play/tragedy) {“প্রমিথিউস আনবাউন্ড” (১৮১৮-১৯)} 'প্রমিথিউস আনবাউন্ডে” তিনি প্রমিথিউসকে একজন আপসহীন মানব প্রেমিকরূপে চিত্রিত করছেন এবং বিশ্বকে মুক্ত করে প্রেমের দ্বারা পরিশোধিত করতে চেয়েছেন। ইংলেন্ড ছেড়ে চলে যেতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু শেলী যে অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন তাতে তিনি নিজেকে প্রমিথিউস-এর মতই মনে করেছেন। মানব-প্রেমিক প্রমিথিউস মানবের কল্যাণের জন্য দেবতাদের নিজস্ব ধন আগুনকে আহরণ করে মানুষকে তা উপহার দিয়েছিলেন। মানব বিদ্বেষী দেবরাজ জুপিটারের কড়া আদেশ ছিল মানুষকে আগুনের ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। সে আদেশ অমান্য করেছিলেন প্রমিথিউস। ফলে জুপিটারের নির্দেশে প্রমিথিউসকে বন্দী করে হাতে-পায়ে শিকল এঁটে পাহাড়ের গায়ে বেঁধে রাখা হয় এবং প্রচণ্ড নির্যাতন করা হয়। কিন্তু প্রমিথিউস শত দুঃখ-কষ্ট, বেদনা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন তবু নতজানু হয়ে দেবরাজের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি। বরং বুক পেতে দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে মৃত্যুকে অমৃতের মত পান করে তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে গেলেন। প্রমিথিউসের সংগ্রাম ছিল স্বেচ্ছাচারী টাউরান্ট বলে অভিযুক্ত করেছেন। মানব-বিদ্বেষী বলে তাকে নিন্দা করেছেন। প্রমিথিউসের এই বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের কাহিনীকে প্রথম রূপদান করেন গ্রীক নাট্যকার ইস্কাইলাস। শেলী গ্রীক নাট্যকারের সেই ভাবনাকে যুগোপযোগী করে আরো তীক্ষ তীব্র করে নাট্যরূপ দিয়েছেন। আপসহীন সংগ্রাম এবং চিরজয়ী প্রেমের বাণী ঘোষিত হয়েছে "প্রমিথিউস আনবাউন্ডে”।
পার্শি বিশি শেলির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা মনে রাখার শর্ট টেকনিক: Ozyamandias ও Adonis আকাশে (sky), বাতাসে (wind), মেঘের (cloud) উপর ঘুরে বেড়াচ্ছে.
Ozyamandias = Ozyamandias Adonais = Adonais আকাশে (sky) = To a Skylark বাতাসে (wind) = Ode to the West Wind মেঘের (cloud) = The Cloud |
Shelly এর Quotations মনে রাখার কৌশল:
Shelly থেকে Sweet, Song, Spring পড়লে নিচের Quotations মনে রাখা সহজ হবে।
- If winter comes, can spring be far behind? শীত যদি আসে, বসন্ত কি দূরে থাকে? (Ode to the West Wind)
- Our sweetest songs are those that tell of saddest thought. ("To a Skylark")
(The speaker refers to the inherent dichotomy of life: to know joy, we need to know pain. the most beautiful songs contain some element of anguish, perhaps not textually, but in tone or implication.) - "We look before and after, And pine for what is not. ("To a Skylark")
- Poets are the unacknowledged legislators of the world (A Defense of Poetry world)
Ozyamandias
I met a traveller from an antique land
Who said: 'Two vast and trunkless legs of stone
Stand in the desert. Near them, on the sand,
Half sunk, a shattered visage lies, whose frown,
And wrinkled lip, and sneer of cold command,
Tell that its sculptor well those passions read
Which yet survive, stamped on these lifeless things,
The hand that mocked them and the heart that fed.
And on the pedestal these words appear --
"My name is Ozymandias, king of kings:
Look on my works, ye Mighty, and despair!"
Nothing beside remains. Round the decay
Of that colossal wreck, boundless and bare
The lone and level sands stretch far away.'
প্রাচীন ভূমি থেকে আসা এক ভ্রমণকারীর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়
যিনি বলেছিলেন: পাথরের দুই বিশাল ও বিচ্ছিন্ন পা,
মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে ………… তাদের নিকটে, বালির উপরেও,
অর্ধ ডুবন্ত/ঘুমন্ত, এক চূর্ণবিচূর্ণ মুখমন্ডল শুয়ে আছে, যার ভ্রুকুটি,
এবং ভাঁজপড়া ঠোঁট ও শান্ত আদেশের অবজ্ঞাসূচক চাহনি,
বলে যে, এটির ভাস্কর পড়েছিল প্রাণহীন এসব বস্তুর পরে,
যে হাত তাদের করেছিল তামাসা এবং যে হৃদয় হয়েছিল তীব্র হতাশ
এবং স্তম্ভেও ভিত্তির উপরেও উঁকি মারে এ কথামালা-
আমার নাম ওজিম্যানডিয়াস, রাজাদের রাজা:
আমার কর্মের দিকে তাকাও, হে পরাক্রমশালী এবং হতাশ হও!
কোন কিছুই নেই টিকে, বিশাল ধ্বংসের চারিপাশে,
সীমাহীন ও নগ্ন, সবকিছু
নিঃসঙ্গ ও সমতল মরু টেনেহিচড়ে নিয়ে গেছে অনেক দূরে।
ওড টু দি ওয়েষ্ট উইন্ড এর সারাংশ:
'Ode to the West Wind' কবিতাটি কবি শেলীর একটি অসাধারণ প্রতীকধর্মী কবিতা। এই কবিতার প্রথমপর্বে কবি পশ্চিমা বাতাসকে শরৎ-এর আত্মা হিসেবে বিশেষায়িত করেছেন। কারণ শরৎকালে পশ্চিমা বাতাস জীর্ণ ও শুকনো পাতাগুলোকে জাদুকরের মতো উড়িয়ে নিয়ে যায় এবং বীজগুলোকে বংশবিস্তারের জন্য বীজতলাতে পুঁতে রাখে। এই পশ্চিমা বায়ুই বসন্তকাল তুর্যধ্বনি বাজিয়ে বীজগুলোকে অঙ্কুরোদ্গম করে সমতলভূমিকে ফুলে ও গন্ধে পরিপূর্ণ করে। তাই কবি পশ্চিমা বায়ুকে ধ্বংসকারী ও রক্ষাকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বে কবি পশ্চিমা বায়ুকে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের দেবদূত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ পশ্চিমা বায়ু নীল আকাশে মেঘ বৃষ্টি সৃষ্টি করে এবং ঝড়ের পূর্বাভাস বলে দেয়। তাছাড়া এই অদম্য বায়ু ঘুমন্ত ভূমধ্যসাগরকে স্বপ্ন থেকে জাগিয়ে তোলে এবং আটলান্টিক মহাসাগরের শক্তিশালী ঢেউগুলোকে দ্বিখণ্ডিত করে। রোমান সম্রাটদের ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজ্যপ্রাসাদ এবং সাগরের উপরিভাগে প্রাণশক্তিহীন পত্রপল্লব যেন পশ্চিমা বায়ুর বয়ে চলা থেকে নতুন প্রাণ পায়।
চতুর্থ পর্বে কবি অনিয়ন্ত্রিত পশ্চিমা বায়ুর সাথে একাত্ম হতে চেয়েছেন। কবি বলেছেন যে, সে যদি শুকনো পাতা দ্রুতগামী মেঘ বা সাগরের ঢেউ হতো, তাহলে পশ্চিমা বায়ুর সাথে বয়ে চলতে পারত। কিন্তু সে এখন বৃদ্ধ, নত, সময়ের ভারী বোঝায় শৃঙ্খলিত, জীবনের রূঢ় বাস্তবতার কাঁটায় বিদ্ধ ও রক্তাক্ত। কবি আক্ষেপ করে বলেছেন যে, শৈশবে সেও ছিল এই বায়ুর মতোই দুর্দমনীয় ও গতিময়।
জীবন যন্ত্রণায় ক্ষতবিক্ষত কবির অন্তরাত্মা। তাই শেষ পর্বে কবি বলেছেন, হে পশ্চিমা বাতাস, আমাকে তোমার বীণা হিসেবে বাজাও, আমি মিশে যেতে চাই তোমার সাথে, ভুলে যেতে চাই সকল বেদনাভার। কবি আরো বলেছেন যে, পশ্চিমা বাতাস যেন কবির আত্মাকে তার মতো শক্তিশালী করে এবং কবির নিজের চিন্তাগুলোকে বিশ্বমানবের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। একমাত্র পশ্চিমা বায়ুই পারবে কবির দৈব্যবাণীগুলো কণ্ঠে ধারণ করে নিদ্রাচ্ছন্ন পৃথিবীকে জাগিয়ে তুলতে। কবি মূলত পুরাতন জীর্ণতাকে পরিহার করে নতুন আবরণে সজ্জিত হওয়ার এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
'ওড্ টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড' (Ode to the West Wind): সত্যযুগ বা স্বর্ণযুগ (millenium) পৃথিবীতে আসবেই এই এখানেও উচ্চারিত " শীত যদি আসে বসন্ত কি বেশী দূরে? O West Wind, If Winter comes, Can Spring be far behind?"

John Keats | |
| জীবনকাল | Birth: 1795 Death: 1821 (ইংরেজ কবি যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুবরণ করেন) |
| পরিচিতি | The poet of 'Romantic Age' is John Keats. John Keats is a Romantic poet. He is a Poet of sensuousness. A famous English poet who was Professionally known as a man of medicine is Keats. |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
১৭৯৫ সালের ৩১ অক্টোবর লন্ডনের মুবফিল্ডস নামক স্থানে ইংরেজি সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি জন কিটস জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম টমাস কিট্স এবং মায়ের নামে ফ্রান্সিস জেনিংস। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে কিট্স ছিলেন সবার বড়।
মাত্র আঠারো বছর বয়সে কিসের প্রথম বই 'ইমিটেশন অব স্পেসার' প্রকাশিত হয়। কিসের অন্য বইগুলো হচ্ছে, 'পোয়েমস্', 'এন্ডাইমিয়ন', লামিয়া এ্যান্ড আদার পোয়েমস্', 'ওড টু অটাম', 'ওড অন এ গ্রিসিয়ান আর্ম', 'দি ইভ অব সেন্ট অ্যাগনিস', 'লামিয়া' প্রভৃতি কবিতা স্থান পেয়েছে।
'টু অটাম' (To Autun) কবিতাটি ১৮১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উইনচেস্টারে লেখা। সেখান থেকে কিট্স জন হ্যামিল্টন রেনল্ডকে লেখেন। সেখান থেকে কিট্স জন হ্যামিল্টন রেনল্ডকে লেখেন-বর্তমান ঋতুটি কত সুন্দর, কী চমৎকার আবহাওয়া। উইনচেস্টারের এই সেপ্টেম্বর মাসের সময়টি কিট্সকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিল। সে সময়ের প্রাকৃতিক রূপ তাকে বিমোহিত করেছিল, যা তার বন্ধুর কাছে লেখা পত্র পাঠ করলে বোঝা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. He (1795-1821) was an English Romantic poet. Keats at his 26, died of Tuberculosis.
ii. তাকে বলা হয় পয়েট অব বিউটি (poet of beauty), পয়েট অব সেনসুয়াসনেস (poet of Sensuousness') ইত্যাদি।
iii. Occupation: Poet, Professionally known as a man of medicine.
iv. Keats ছিলেন Romantic কবিদের মধ্যে সবচেয়ে Young।
v. Keats এর কাব্যিক জগ'টা বিশিষ্টায়িত করা যায়- Sensuousness, Hellenism, Negative capability, aestheticism এবং Escapism হিসেবে।
vi. Keats অধিক পরিচিত তার sense of beauty এর জন্য।
vii. Century: 19th Century
viii. Famous sonnet: On First Looking into Chapman's Homer (মূলত কবি Homer এর মহাকাব্যগুলোর প্রথম ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন জর্জ চ্যাপম্যান)।
ix) শেলী বলেছেন, "Keats was a Greek", কীটসের প্রাচীন গ্রীক সৌন্দর্য্যপ্রিয়তার উৎসমুখ প্রধানত: তিনটি। প্রথমত: গ্রীক সাহিত্যের প্রতি প্রবল অনুরাগ; দ্বিতীয়ত: গ্রীক ভাস্কর্য শিল্পের প্রতি প্রগাঢ় মোহ; তৃতীয়ত: তাঁর জণ্ডগত সৌন্দর্য্য সাধন। "অন সিইং দি এলগিন মার্বেল”, “ওড ওন এ গ্রীসিয়ান আর্ন", "ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস", "হাইপেরিয়ন” প্রভৃতি কাব্য ও কবিতায় কবি গ্রীসের ভাস্কর্য শিল্পের পেলব মসৃণতা, সূক্ষ্ম কারুকার্য ও অসামান্য রূপকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। "ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস” কবিতায় চ্যাপেলের অভ্যত্মরে নানা দেবদেবীর মূর্তিগুলোকে জীবত্ম করে বর্ণনা করেছেন।
Ode শব্দটির অর্থ সঙ্গীত। সঙ্গীতের জন্য রচিত কবিতাগুলিকে বলা হত ode. ইংরেজী সাহিত্যে একজাতীয় গীতি-কবিতাকে বলা হয় "ওড্”।
Notable works : তাঁর প্রথম রচনা "ইমিটেশন অব স্পেন্সার" (১৮১৩) আঠার বছর বয়সে রচিত। ১৮১৭ সালে তাঁর কবিতার প্রথম খণ্ড আত্মপ্রকাশ করে। খণ্ডটির নাম "পোয়েমস”। এই গ্রন্থটি লে হান্টের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। এর কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা হল "অন ফাষ্ট লুকিং ইনটু চ্যাপম্যানস হোমার", "স্লিপ এণ্ড পোয়েট্রি", এবং "আই স্টুড টিপ-টো আপন এ লি হিল"।
- "Ode to Psyche" [ওড টু সাইকি] (১৮২০){ "ওড্ টু 'সাইকি' "তে তিনি সাইকির সৌন্দর্য্যের ধ্যান করেছেন, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের মধ্যে একটা সকরুণ বিষাদের ছাপ আছে। সাইকি হল বিষণ্ণ প্রেমের প্রতিমূর্তি। বিষণ্ণ বলতে কোন দুঃখজনক ঘটনাকে বোঝায় না।}
- "Ode to a Nightingale" [ওড টু এ নাইটিংঙ্গেল] {"ওড্ টু নাইটিঙ্গেল" কবিতায় সেই প্রচ্ছন্ন বিষাদের সুর লক্ষ্য করা যায়, যদিও বিহঙ্গের সঙ্গীত সুরে কবি জীবনের আনন্দলোক উত্তরণ করেছেন। বিহঙ্গ আনন্দের প্রতিমূমর্তি। তার সঙ্গীত আনন্দ রসের ধারা। তবুও সেই আনন্দের মধ্যে বিষণ্ণতা আছে বলেই কবির মনে হয়েছে, বিষণ্ণময়ী রূপের কথা, মনে হয়েছে বিষণ্ণ বাতায়নের কথা।}
- "Ode on a Grecian Urn" [ওড অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন) (১৮২০) (“ওড্ অন এ গ্রীসিয়ান আর্ন" কবিতায় কবি নি:সঙ্গ প্রকৃতি জগতের মধ্যে Cold pastoral চিত্র অঙ্কন করেছেন।)
- "Ode on Melancholy" [ওড অন মিলানকোলি] {"ওড্ অন মেলানকোলি'তে কবি বিষণ্ণতার স্বরূপ উদ্ঘাটন করে বলেছেন, যে বিষণ্ণতার আবাস আনন্দের মন্দিরে}
- "Endymion" [এনডাইমিয়ন) (১৮১৮)
- "The Eve of St. Agnes" ["দ্যা ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস” কবিতায় কবির অতৃপ্ত প্রেমের কামনার আর্তি তীব্রতর। ঝড়-ঝঞ্ঝা; বিপদ-আপদ, মৃত্যুকে তুচ্ছ করে, শত শত্রুর তরবারি হৃদয় বিদ্ধ করবে জেনেও প্রেমিক চলেছে প্রেমিকার সাথে মিশলনের উদ্দেশ্যে। প্রেমের পথ মসৃণ নয়, বন্ধুর।)
- "Hyperion" [হাইপেরিয়ন) (১৮২০)
- "Lamia" [লামিয়া] (১৮২০)
- Ode to Autumn ["টু আটম”]
- Isabella ["ইসাবেলা” (১৮১৮),]
Keats এর poems মনে রাখার কৌশল: MEGHNA LIMA
MEGHNA M = Melancholy E = Endymion G = Grecian Urn H = Hyperion N = Nightingale A = Autumn |
LIMA L = Lamia I = Isabella M = Melancholy A = Autumn |
Keats এর Quotations মনে রাখার সহজ কৌশল: Keats এর: Quotations:
Keats কে বলা হয় Poet of beauty। তাই beauty নিয়ে নিচের দুটি বিখ্যাত Quotations Keats এর হওয়া স্বাভাবিক।
- A thing of beauty is a joy for ever (সুন্দর বস্তু মাত্রই চিরকাল আনন্দের-এন্ডাইমিয়ন এর প্রথম লাইন।)
- Beauty is truth, truth beauty (সৌন্দর্যই সত্য, সত্যই সুন্দর।) (Ode on a Grecian Urn)
Heard melodies are sweet, but those unheard are sweeter. (Ode on a Grecian Urn)
(This means that sometimes imagination is better than the experience of the physical senses.)
'লামিয়া' (Lamia)
'লামিয়া' (Lamia): এক নাগিনীকন্যা। দেবতা হার্মিস এই নাগিনীকে এক অপরূপা সুন্দরী নারীতে রূপান্তরিত করেন। রূপান্তরিত লামিয়া করিন্-থিয়াবাসী লীশিয়সকে (Lycious) ভালবাসল। রূপমুগ্ধ লীশিয়স গোপনে তাকে নিয়ে যান নিজের গৃহে। সেখানে মিলনোৎসবের ভোজসভায় লীশিয়সের শিক্ষাগুরু বৃক্ষ অ্যাপোলোনিয়স (Apollonious) এই মায়াবিনীর স্বরূপ প্রকাশ করে দিতেই লামিয়া আর্তনাদ করে অদৃশ্য হয়ে গেল। পড়ে রইল মর্মাহত লীশিয়াসের সুসজ্জিত দেহ, নিষ্প্রাণ, অসাড়।
'ইসাবেলা, অর দ্য পট অব ব্যাসিল' (Isabella or the pot of of Basil)
'ইসাবেলা, অর দ্য পট অব ব্যাসিল' (Isabella or the pot of of Basil):" ইসাবেল বা ব্যাসিল ফুলের টব- কাহিনীটি ইটালির বিখ্যাত গল্পলেখক বোক্কাচিও (Boccaccio)- র 'ডেকামেরন' থেকে নেওয়া। ইসাবেলা ও লরেঞ্জোর (Lorenzo) মধ্যে ছিল গভীর ভালবাসা। ইসাবেলার ভাইয়েরা তা জানতে পেরে একদিন লরেঞ্জোকে দূরে বনের মধ্যে ভুলিয়ে নিয়ে যায় এবং হত্যা করে। স্বপ্নে জানতে পেরে বিরহকাতরা ইসাবেলা বনমধ্যে হাজির হলো এবং মৃতদেহ দেখতে পেল। ব্যথাহতা ইসাবেলা প্রিয়তম লরেঞ্জোর ছিন্ন শির একটা টবে মাটি চাপা দিয়ে রেখে তাতে লাগাল সুগন্ধি গুল্ম ব্যাসিলের চারা। ব্যাসিলর গুল্মের টবের প্রতি ইসাবেলার আন্তরিক আকর্ষণ দেখে তার নিষ্ঠুর ভাইয়েরা একদিন টবটি চুরি করল। টবটির মধ্যে ছিন্নমুন্ড দেখে আতঙ্কিত হয়ে তারা পালাল আর হতভাগিনী ইসাবেলা সব হারানোর বেদনায় জর্জরিত হয়ে তিলে তিলে শুকিয়ে মারা গেল। চন্দ্র, সূর্য তারাঘেরা এই বিশ্বসংসারকে ভুলে লরেঞ্জোর ধ্যানে মগ্না উন্মাদিনী ইসাবেলা। এই উন্মাদনাতেই প্রেম মৃত্যুঞ্জয়ী। সেই চিরঞ্জীব প্রেমের এক অপূর্ব রূপ ইসাবেলার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্বে পাঠকের সহমর্মিতা লাভ করে প্রেমই জয়ী হয়েছে।
'দ্য ঈভ অব সেন্ট আগ্নিস' (The Eve of St. Agnes)
'দ্য ঈভ অব সেন্ট আগ্নিস' (The Eve of St. Agnes): মধ্যযুগের পটভূমিকায় রচিত এক বর্ণাঢ্য আখ্যানমূলক কবিতা। নায়িকা ম্যাডলীন (Madline) এবং নায়ক পফিরো (Porphyro) পরস্পর প্রণয়াসক্ত কিন্তু উভয় পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা বর্তমান। এই মিলনের তাই কোন পক্ষেরই সায় নেই এবং কার্যত " ম্যাডলীন গৃহবন্দিনী। চারপাশে হিংস্র পশুদল ও নিষ্ঠুর প্রহরী দ্বারা বেষ্টিত। লোকশ্রুতিতে ম্যাডলীন শুনেছে যে সেন্ট অ্যাগ্নিসের স্মরণ দিনের পূর্ব রাত্রে স্বপ্নে কুমারীরা তাদের প্রেমিককে দেখতে পায়। এই স্বপ্ন কামনা নিয়েই রাত্রে কখন সে ঘুমিয়ে পড়েছিল। স্বপ্নে সে দেখল পর্ফিরোকে। স্বপ্ন থেকে জেগে সে দেখল তার পফিরো সেখানে স্বদেহে-ই উপস্থিত। তাঁর বিহ্বল অবস্থা কেটে যাওয়ার পর সেই শত্রু-বেষ্টিত পুরীতে কোন অঘটন ঘটে যাওয়ার আগেই দু'জনে পালিয়ে গেল।
প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্বে এখানেও প্রেম জয়ী। তবে 'ইসাবেলা'তে জয় বিরহে, এখানে জয় মিলনে। এই কবিতাটিতে আধ্যাত্মিকতা, মধ্যযুগীয় সংস্কার ও বিশ্বাস মিলিয়ে কবি পাঠকমনকে ক্ষণকালের জন্য এক মধ্যযুগীয় পটভূমিকায় নিয়ে গেছেন। কবির রচনা এখানে অনেক পরিণত।
'হাইপীরিয়ন' (Hyperion)
'হাইপীরিয়ন' (Hyperion) গ্রিক আখ্যামূলক কাব্য। রচনা শুরু করেন ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে, কিন্তু শেষ হয় না। কিছুদিন পরে আবার লিখতে শুরু করেন। কিন্তু শেষ সেবারেও হলো না। ফলে কাব্যটি অসমাপ্তই রয়ে গেল। হাইপীরিয়নের (সূর্যদেবতার) পৌরাণিক আখ্যান দিয়েই কাব্যের বর্ণনা আরম্ভ হয়েছে। রাজ্যচ্যুত শনি রাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য সূর্যদেবতা হাইপীরিয়নের সাহায্যপ্রার্থী হন। কিন্তু তাঁর আশা পূর্ণ হয় না। সঙ্গীত, কাব্য ও জ্ঞানের দেবতা 'অ্যাপোলো' দেখা দিলেন। কাব্যের প্রথমাংশ এখানেই অসমাপ্ত, দ্বিতীয়াংশে হাইপীয়রিয়নের পতন (Fall of Hyperion)। কবি স্বপ্নে কোন মন্দিরের দিকে চলেছেন। পৃথিবীর দুঃখে দুঃখিত সহৃদয় জনেরই সেখানে মাত্র প্রবেশাধিকার। হৃতগৌরব শনির দুঃখে বিষাদময়ী দেবী মনীটা (Moneta " জুনো) কবিকে জানালেন হাইপীরিয়নের পতন হয়েছে এবং রাজ্যলাভ করেছেন 'অ্যাপোলো'। কাব্য শেষ।
‘To Autumn’
'To Autumn' একটি শৈল্পিক কবিতা। এই কবিতায় কবি প্রথমে 'শরৎকাল'-কে ফলফলাদি পাকার ঋতু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ শরৎকাল সূর্যের সাথে মিলে আঙ্গুর ও আপেলকে পাকায়, লাউকে ও হিজল ফলগুলো মিষ্টি শাঁস দ্বারা পুষ্ট করে এবং অসংখ্য ফুল ফোটায় যাতে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মৌচাককে কানায় কানায় পূর্ণ করতে পারে। দ্বিতীয় অংশে কবি 'পরৎকাল'-কে নারীরূপে বর্ণনা করেছেন। নারীরূপী শরৎকাল শস্য গোলাজাত করার কাজে ব্যস্ত। ধান মাড়াই এর কলের কাছে তাকে উদাসীনচিত্তে বসে থাকতে দেখা যায়। শস্য ঝাড়াই করার যন্ত্রের বাতাসে তার চুল উড়তে দেখা যায়। সে শস্যকর্তনরূপে অর্ধকর্তিত শস্যক্ষেত্রে পপি ফুলের গন্ধে ঘুমিয়ে থাকে। আবার কখনো তাকে দেখা যায় শস্যের বোঝা কাঁধে নিয়ে চলতে কিংবা আপেল থেকে রস বের করা যন্ত্রের পাশে ধৈর্য ধরে বসে থাকতে। শেষ পর্বে কবি শরৎকালকে বসন্তকালের সাথে তুলনা করে বলেছেন যে, বসন্তকালের মতো তোমারও নিজস্ব সংগীত আছে। ডাঁশদের গুঞ্জনধ্বনি, চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির, ভেড়ার কণ্ঠের ধ্বনি, ঝোপঝাড়ে ঝিঝি পোকার চিৎকার-এগুলো তাঁর নিজস্ব সুর। নীলাকাশে সাদা সাদা খণ্ড মেঘ এবং বিকেলের সূর্যের আলোতে ঘড়ের মাঠের গোলাপি আভা হলো শরৎ'র নিজস্ব রং। এভাবে কবি এই কবিতায় শরৎকালকে বিচিত্র চিত্রে চিত্রায়িত করেছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Alexander Pushkin (1799-1837)
- His full name is Alexander Sergeyevich Pushkin
- He is known as "Father of modern Russian literature".
- He is called "The National poet of Russia"
Notable Works:
a) Eugene Onegin(novel)
b) Boris Godunov (বরিস গোদুনভ) (play)
Read more